স্বপ্নের ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
- Details
- by খেলাধুলা প্রতিবেদক
গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে হেরেছিল নিউজিল্যান্ড। ওই একটা ছাড়া আর সবকিছুতেই প্ল্যানমাফিক এগিয়ে গেছে কিউইরা। তারই ধারাবাহিকতায় প্রথম দল হিসেবে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল কেইন উইলিয়ামসের বাহিনী। আগামী রোববার দুবাইয়ে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আগামীকাল বৃহস্পতিবারের জয়ী দলের মুখোমুখি হবেন তারা।
দুই মিচেলের জয়ের হাসি
বুধবার আবুধাবিতে প্রথম সেমিফাইনালে মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। মাঝারি মানের টার্গেট দাঁড় করিয়েছিল ইয়ন মর্গানের দল। ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণে মাঠে নেমে তারা সংগ্রহ করে ১৬৬ রান। মঈন আলি ও লিয়াম লিভিংস্টোনের দারুণ ব্যাটিংয়ে চার উইকেটের বিনিময়ে তারা স্কোরকার্ডে এ রান জমা করে।
জবাব দিতে নেমে নিউজিল্যান্ডের শুরুটা তেমন ভালো হয়নি। দলীয় চার রানের মাথায় গাপটিল এবং ১৩ রানের মাথায় অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসের বিদায়ে ইংল্যান্ড চোখ রাঙাতে শুরু করে। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন ওপেনার ড্যারেল মিচেল। তার পাশাপাশি ভালো ইনিংস খেলেন ডেভিড কনওয়ে। আউট হওয়ার আগে কনওয়ে ৩৮ বলে ৪৬ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন।
ব্যর্থ হয়ে গেল মঈন আলির লড়াই
তারপরও ১৫ ওভার পর্যন্ত দলের জেতার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছিল না। দলীয় ১৬তম ওভারে চতুর্থ উইকেট পতনের পর মাঠে আসেন জিমি নিশাম। বল হাতে তেমন কিছু করতে পারেননি। সেটাই যেন পুষিয়ে দিতে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। মাত্র ১১ বলের ইনিংসে ছক্কা মারেন তিনটি, বাউন্ডারি একটি। তার এই ক্যামিও ব্যাটিংয়ে দলের স্কোরে যোগ হয় ২৭ রান। এরপরই রশিদের শিকার হয়ে ক্রিজছাড়া হন তিনি। ততক্ষণে জয়ের সুবাস পেতে শুরু করে নিউজিল্যান্ড।
শেষ পর্যন্ত পুরো এক ওভার হাতে রেখেই ফাইনালে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড। পাঁচ উইকেট অক্ষত রেখে দুই মিচেল নিরাপদেই দলকে নোঙর করালেন বিজয়ের বন্দরে। ৪৭ বলে অনবদ্য ৭২ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। চারটি বাউন্ডারি ও চারটি ছক্কায় তিনি সংগ্রহ করেন এ রান। আরেক মিচেল, মিচেল স্যান্টনারের সংগ্রহ তখন ১ রান। এর মধ্য দিয়েই প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল ব্ল্যাকক্যাপসরা।
এর আগে টসে জিতে এ বিশ্বকাপের প্রত্যাশিত ধারণামতোই ফিল্ডিং নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডও অবশ্য খারাপ করেনি। ডেভিড ম্যালান আর মঈন আলির ব্যাটে ভর করে ১৬৬ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় তারা। জশ বাটলার ও জনি বেয়ারেস্টোর ওপেনিং জুটি থেকে দলের স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছিল ৩৭ রান। নিউজিল্যান্ডের বোলিংটা তেমন যুতসই হচ্ছিল না। এ অবস্থায় এগিয়ে আসেন কিউই অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসন। দলীয় ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলেই দুর্দান্ত এক ক্যাচে বেয়ারেস্টোকে প্যাভিলিয়ানে ফেরান তিনি। অ্যাডাম মিলনের সেই বলে আউট হওয়ার আগে তার সংগ্রহ ছিল ১৭ রান।
সঙ্গী বাটলারও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। তিন ওভার পর ইশ সোধির বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরত যান ২৪ বলে ২৯ রান করে। আউটটা মনঃপুত না হওয়ায় রিভিউ নিয়েছিলেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি রিভিউটা নষ্ট হওয়া ছাড়া।
এরপর মালান-মঈন আলি জুটি সাবলীলভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন ইংল্যান্ডকে। প্রথম দিকে মালানকে সাপোর্ট দিয়ে গেছেন মঈন। মালান হাত খুলে খেলতে থাকেন। ১৫.২ ওভারে দলীয় ১১৬ রানের মাথায় আউট হন মালান। চারটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা দিয়ে সাজানো তার ইনিংসটি ছিল ৪১ রানের, ৩০ বল খরচায়। মালান আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন লিয়াম লিভিংস্টোন।
এ সময় মঈন আলির ব্যাটে ভর করে গতিশীল থাকে ইংল্যান্ডের স্কোর। শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা মঈনের সংগ্রহ ছিল ৫১ রান। ৩টি বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কায় এ রান সংগ্রহ করতে তিনি খরচ করেন ৩৭ বল। অন্যদিকে, লিভিংস্টোনের ছোট্ট ঝোড়ো ইনিংসটি ছিল একটি করে চার ও ছক্কায় সাজানো। তিনিও আউট হয়ে যান ১০ বলে ১৭ রান করে। শেষ পর্যন্ত ১৬৬ রানের মাঝারি সংগ্রহ করে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন দেখতে থাকে ইংল্যান্ড।
নিউজিল্যান্ডের বোলিংয়ে বলার মতো তেমন কিছু ছিল না। একটি করে উইকেট লাভ করেন সাউদি, ইশ সোধি, অ্যাডাম মিলনে ও নিশাম।
গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...
খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর
Stay up-to-date with the latest news from Bangladesh. Our comprehensive coverage includes politics, business, sports, and culture. Get breaking news, analysis, and commentary on the issues that matter most to Bangladeshis and the international community.
Bangladesh is a country located in South Asia and is home to a diverse population of over 160 million people. It has a rich cultural heritage and a rapidly growing economy. News from Bangladesh covers a wide range of topics, including politics, economics, social issues, culture, and more. The country has made significant progress in recent years in areas such as poverty reduction, education, and healthcare. However, it still faces challenges such as corruption and environmental degradation. Bangladeshi news sources cover both local and international news to keep the public informed about the latest developments and events.